মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেবিদ্বারে কেঁদে কেঁদে ঈগল প্রতিকে ভোট চাইলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম নৌকায় ভোট দিয়েই মেঘনার সঠিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব… সেলিমা আহমাদ ঈগলে ভোট দিলে গোমতীর মাটি লুট জিবির নামে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে: আবুল কালাম আজাদ দেবিদ্বারে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা কুমিল্লায় পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ ব্রাজিলে ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ২২ সিলেটে মসজিদের পুকুর থেকে ইমামের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে সিএনজি স্টেশনের জেনারেটর বিস্ফোরণে দগ্ধ ৭ বার্মিংহাম সিটি কাউন্সিলের নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা মারা গেলেন লন্ডনের বাংলাদেশ হাইক‌মিশনের মিনিস্টার মুক্তি

আমরা কি প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক হতে পারব না

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২১
  • ৫৬
বিজ্ঞাপন

কিন্তু করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীর স্নাতক (২০১৯) শেষ বর্ষের পরীক্ষা শেষ না হওয়ায় আবেদন করা সম্ভব হয়নি। ২০২০ সালের ১৮ অক্টোবর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। আবেদনের সময়সীমা ছিল ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত। করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ না হলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনেক আগেই ২০১৯ সালের স্নাতক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়ে যেত। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চাকরি বিসিএসে অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়ে আবেদন করার সুযোগ পেলেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন করার সুযোগ পাননি। তা ছাড়া ৪৩তম বিসিএসের আবেদনের তারিখ করোনার কারণে দুবার বর্ধিত করা হয়েছে।

এখন আমাদের যৌক্তিক চাওয়া, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চাকরি বিসিএসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে যদি করোনা মহামারির কারণে শিথিলতা আনা যায়, তাহলে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কেন নয়? দেশের চাকরিজগতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মেয়েদের জন্য ৬০ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নারী শিক্ষকদের শিক্ষাদানের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে মাতৃত্বের ভূমিকাও রাখতে হয়। সংগত কারণে নারীরা উচ্চশিক্ষা অর্জন করেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা পেশাকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন।

কিন্তু এই প্রথম প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ছেলেমেয়ে উভয়ের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক চাওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, মেয়েদের জন্য ৬০ শতাংশ কোটা থাকা সত্ত্বেও শিক্ষাগত যোগ্যতার কারণে অনেকে প্রার্থী আবেদন করতে পারেননি। এ অবস্থায় অন্ততপক্ষে বিসিএসের মতো অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়ে আবেদন করার সুযোগ থাকলে আমরা বঞ্চিত হতাম না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ, উপরিউক্ত বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে প্রাথমিকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তারিখ পুনর্বিবেচনা করে আমাদের আবেদনের সুযোগ দিলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব।

মোছা. নিপা আক্তার
সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের সুযোগবঞ্চিত একজন শিক্ষার্থী
স্নাতকোত্তর শ্রেণি, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved ©2023 -ওল্ডহাম বাংলা নিউজ |

সম্পাদক ও প্রকাশক: