বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেবিদ্বারে কেঁদে কেঁদে ঈগল প্রতিকে ভোট চাইলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম নৌকায় ভোট দিয়েই মেঘনার সঠিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব… সেলিমা আহমাদ ঈগলে ভোট দিলে গোমতীর মাটি লুট জিবির নামে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে: আবুল কালাম আজাদ দেবিদ্বারে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা কুমিল্লায় পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ ব্রাজিলে ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ২২ সিলেটে মসজিদের পুকুর থেকে ইমামের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে সিএনজি স্টেশনের জেনারেটর বিস্ফোরণে দগ্ধ ৭ বার্মিংহাম সিটি কাউন্সিলের নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা মারা গেলেন লন্ডনের বাংলাদেশ হাইক‌মিশনের মিনিস্টার মুক্তি

ইন্টারনেটে কর বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে এনবিআর

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৪ জুন, ২০২২
  • ১৩১

 

 

ষ্টাফ রিপোর্টার  ;

ইন্টারনেট হচ্ছে ইন্টারকানেক্টেড নেট্ওয়ার্ক(interconnected network) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটা বিশেষ গেটওয়ে বা রাউটারের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলো একে-অপরের সাথে সংযোগ করার মাধ্যমে গঠিত হয়। ইন্টারনেটকে প্রায়ই নেট বলা হয়ে থাকে।

এবার ইন্টারনেট ব্যবহারেও খরচ বাড়তে যাচ্ছে। জানা যায়, আগামী বাজেটেই ইন্টারনেটে কর বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে এনবিআর। বিশেষ করে যেসব ইন্টারনেট কেবলে ব্যবহার হচ্ছে, সেখানে কর বাড়ানো এবং গ্রাহক পর্যায়ে ভ্যাট যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

 

 

 

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে সরকার।

 

গ্রামকে শহরে রূপান্তর করার উদ্যোগও রয়েছে। এ জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারে সাধারণ মানুষের খরচ যাতে খুব বেশি না বাড়ে, সে বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।

 

এনবিআর সূত্র বলছে, কথা বলতে বা এসএমএস পাঠাতে অনেকেই এখন বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করছে। যার কারণে মোবাইলের টক টাইম ও এসএমএস থেকে ভ্যাট বাবদ রাজস্ব কমে গেছে। এজন্য এনবিআর চাচ্ছে, ইন্টারনেট ব্যবহার করে অ্যাপের মাধ্যমে কথা বললেও যাতে সরকার সেখান থেকে কিছু রাজস্ব পায়।

 

সূত্র জানায়, সম্প্রতি দেশের বড় বড় ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর ব্যবসা প্রতি বছরই বড় হয়েছে। কোম্পানিগুলো টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে, গ্রাহক সংখ্যাও বাড়ছে। তাই কোম্পানিগুলো থেকে বেশি রাজস্ব সংগ্রহের কথা ভাবা হচ্ছে। এ জন্য ইন্টারনেটের দামও বাড়ানো হবে।

 

ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি আমিনুল হাকিম জানান, ইন্টারনেটে ভয়েস কলের ব্যবহার সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ শতাংশ। এর বাইরে মানুষ প্রধানত তথ্য আদান-প্রদান, অফিসিয়াল কার্যক্রম ইত্যাদির জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে। ফলে ডিজিটাল কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয় এমন কোনো পদক্ষেপ বাজেটে নেওয়া ঠিক হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved ©2023 -ওল্ডহাম বাংলা নিউজ |

সম্পাদক ও প্রকাশক: