রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ০৪:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেবিদ্বারে কেঁদে কেঁদে ঈগল প্রতিকে ভোট চাইলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম নৌকায় ভোট দিয়েই মেঘনার সঠিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব… সেলিমা আহমাদ ঈগলে ভোট দিলে গোমতীর মাটি লুট জিবির নামে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে: আবুল কালাম আজাদ দেবিদ্বারে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা কুমিল্লায় পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ ব্রাজিলে ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ২২ সিলেটে মসজিদের পুকুর থেকে ইমামের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে সিএনজি স্টেশনের জেনারেটর বিস্ফোরণে দগ্ধ ৭ বার্মিংহাম সিটি কাউন্সিলের নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা মারা গেলেন লন্ডনের বাংলাদেশ হাইক‌মিশনের মিনিস্টার মুক্তি

খুলনায় কৃষক হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২১
  • ৭৫
বিজ্ঞাপন

একই মামলার আরেক আসামি রামনগর গ্রামের মিজানকে (২৯) বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। মূলত মিজানের তৃতীয় স্ত্রীকে নিয়ে ওই হত্যার ঘটনা ঘটে বলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন জামসেদ। রায় ঘোষণার সময় অভিযোগপত্রভুক্ত দুই আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১ জুন সকালে রামনগর এলাকা থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় অর্ধগলিত একটি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশটি মাথাবিহীন ছিল। ওই ঘটনায় রূপসা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল খালেক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

অন্যদিকে আমীর আলী খাঁ ছেলে কৃষক রাজ খাঁ নিখোঁজের ঘটনায় রূপসা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। পরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে লাশটি কৃষক রাজ খাঁর বলে শনাক্ত করা হয়। এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রথমে কামরুল সরদার নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। দুর্বৃত্তরা রাজ খাঁকে হত্যা করে মুঠোফোনটি নিয়ে যায়। পরে তারা সেটি আজিজ নামের এক ভ্যানচালকের কাছ বিক্রি করে দেয়। আজিজ থেকে আবার তা কেনেন কামরুল। কামরুল আটকের পর আজিজের সহায়তায় জামসেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জামসেদ আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে জামসেদ উল্লেখ করেন, মিজানের তৃতীয় স্ত্রীর সঙ্গে রাজ খাঁর অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে রাজ খাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করে মিজান। পরিকল্পনা অনুযায়ী জামসেদের মাধ্যমে রাজকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এনামুল হক প্রথম আলোকে বলেন, এ মামলায় ৩১ সাক্ষী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২৯ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে মিজানের জড়িত থাকার কথা কোনো সাক্ষীই বলেননি। এ কারণে মিজানের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি। শুধু ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে জামসেদ বলেছিলেন, মিজানই রাজ খাঁকে হত্যা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved ©2023 -ওল্ডহাম বাংলা নিউজ |

সম্পাদক ও প্রকাশক: