মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০৮:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেবিদ্বারে কেঁদে কেঁদে ঈগল প্রতিকে ভোট চাইলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম নৌকায় ভোট দিয়েই মেঘনার সঠিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব… সেলিমা আহমাদ ঈগলে ভোট দিলে গোমতীর মাটি লুট জিবির নামে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে: আবুল কালাম আজাদ দেবিদ্বারে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা কুমিল্লায় পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ ব্রাজিলে ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ২২ সিলেটে মসজিদের পুকুর থেকে ইমামের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে সিএনজি স্টেশনের জেনারেটর বিস্ফোরণে দগ্ধ ৭ বার্মিংহাম সিটি কাউন্সিলের নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা মারা গেলেন লন্ডনের বাংলাদেশ হাইক‌মিশনের মিনিস্টার মুক্তি

দিনাজপুরের বালুবাড়ীর গব তৌফিক ,,DMC, BUET, ঢাবিতে চান্সপ্রাপ্ত

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৫ জুলাই, ২০২২
  • ৫৭

 

 

রায়হান কবির

দিনাজপুর প্রতিনিধি।

 

যেকোনো শিক্ষার্থীর জীবনে এডমিশন টেস্ট এক মূর্তিমান আতঙ্ক। সামর্থ্যের সবটুকু দিয়েও কেউ কেউ কাঙ্খিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায় না।

আবার কারও কারও এডমিশন সিজন কাটে স্বপ্নের মত। গ্রিক বীর আলেকজান্ডার যেমন সবকিছু জয় করতে নেমেছিলেন, এরাও যেন সেরকম কোনো মিশনে নামে।

এরকম একজন হলেন তাহমিদ আল তৌফিক।

 

তৌফিক বালুবাড়ি নিবাসী রেফায়েত উল্লাহ এবং আতিয়া আফসানা দম্পতির বড় ছেলে। দিনাজপুর জিলা স্কুল থেকে এসএসসি এবং দিনাজপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করা তৌফিক ২০২১-২২ সেশনে ঢাকা মেডিকেল, বুয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে। দিনাজপুর থেকে মেডিকেল-বুয়েট-ঢাবি তিনটায় আগেও অনেকে চান্স পেয়েছেন তবে ঢাকা মেডিকেল-বুয়েট-ঢাবিতে তৌফিকই প্রথম।

 

এরকম সাফল্যের রহস্য কী- জিজ্ঞেস করায় তৌফিকের খুব সহজ এবং বিনয়ী উত্তর: “কোনো রহস্য নেই। কলেজ লাইফের শুরু থেকে সঠিক প্ল্যান এবং গোছানো পড়াশোনা করলে এরকম রেজাল্ট সম্ভব।”

 

কীভাবে পড়াশোনা করলে তিনটি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানে চান্স পাওয়া যায় এবং জুনিয়রদের উদ্দেশ্যে কী উপদেশ দিবেন জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “প্রথমেই তিনটা টার্গেট করে পড়া যাবে না। তিন জায়গায় চান্স পাওয়ার ইচ্ছা থাকতেই পারে, তবে একটা একটা করে টার্গেট ধরে এগোতে হবে। কলেজে ওঠার পরে প্রথম ছয় মাস আমার টার্গেট ছিল এইচএসসির পড়াটা গুছিয়ে নেয়া।

ডাক্তার রাশেদ ভাইয়া, সালাম স্যার, বৈশ্য স্যার, রহমত স্যার একাডেমিকের বায়োলজি, ফিজিক্স, ম্যাথ, ক্যামেস্ট্রির বেসটা তৈরী করে দেন।

শুরুতে আমার টার্গেট ছিল মেডিকেল আর ঢাবি। করোনার কারণে একটা লম্বা সময় পেয়েছিলাম। মেডিকেল এবং ঢাবির প্রিপারেশন গুছিয়ে আসার পরে ইঞ্জিনিয়ারিং টার্গেট করি।

দিনাজপুরে ওয়ালিদ ভাইয়া, আনাস ভাইয়া, তুরাদ ভাইয়াসহ প্রায় প্রতি বছরই বুয়েট-মেডিকেল-ঢাবি তিন জায়গায় চান্স পাওয়া স্টুডেন্ট থাকে। এরা আমার ইন্সপিরেশন ছিল। তাছাড়া রাশেদ ভাইয়াও সবসময় বলতেন- তোমাকে দিয়ে তিনটাই পসিবল; লেগে থাকো।

 

তিন জায়গায় চান্স পাওয়ার পরে কোন জায়গায় পড়বেন জানতে চাওয়ায় তিনি বলেন, “আমার ইচ্ছা বুয়েটে পড়ার। এখনও ফাইনাল করি নি ।।

 

স্বপ্ন দেখতে বাঁধা নেই; ইচ্ছাশক্তি আর পরিশ্রমের মানসিকতা থাকলে যেকোনো জায়গা থেকেই যেকোনো স্বপ্নই পূরণ করা সম্ভব- এই আশার বার্তাই সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেয় তৌফিকের মত সফলরা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved ©2023 -ওল্ডহাম বাংলা নিউজ |

সম্পাদক ও প্রকাশক: