মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেবিদ্বারে কেঁদে কেঁদে ঈগল প্রতিকে ভোট চাইলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম নৌকায় ভোট দিয়েই মেঘনার সঠিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব… সেলিমা আহমাদ ঈগলে ভোট দিলে গোমতীর মাটি লুট জিবির নামে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে: আবুল কালাম আজাদ দেবিদ্বারে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা কুমিল্লায় পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ ব্রাজিলে ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ২২ সিলেটে মসজিদের পুকুর থেকে ইমামের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে সিএনজি স্টেশনের জেনারেটর বিস্ফোরণে দগ্ধ ৭ বার্মিংহাম সিটি কাউন্সিলের নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা মারা গেলেন লন্ডনের বাংলাদেশ হাইক‌মিশনের মিনিস্টার মুক্তি

ভাসুরের সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে স্বামীকে ডিভোর্স

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০২২
  • ৪২

 

 

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

সাংবাদিক  মোঃ  নাফিস  ইকবাল,

 

হিন্দু ধর্মের বিধান মতে, ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালনের মাধ্যমে সাধনের সাথে বিয়ে হয় অর্চনা মিস্ত্রীর। কিন্তু বিয়ের পরে ভাসুরের সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পরেন তিনি শুধু অবৈধ সম্পর্কই না, ভালোবাসার টানে ভাসুরকে নিয়ে ঢাকায় পাড়ি দেন। ভাসুরের কু পরামর্শে গত ২৩/১/২০১৭ ইং স্বামী সাধন মিস্ত্রীকে উকিলের মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদের নোটিশ পাঠান।

 

হিন্দু ধর্মের ধর্মীয় রীতিনীতি, আচার অনুষ্ঠানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভাসুরের সাথে অবৈধ প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে অর্চনা মিস্ত্রী। স্বামীকে ডিভোর্স দেয়া এবং দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ডিভোর্স দেয়া স্বামীর সঙ্গে পুনরায় সংসার করার অভিযোগ উঠেছে পিরোজপুরে জেলার নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার জলাবাড়ির মিস্ত্রী বাড়ির ছোট বৌ অর্চনা মিস্ত্রী বিরুদ্ধে। ভাসুরের সাথে অবৈধ সম্পর্কের বিষয়টা জানাজানি হতেই মিস্ত্রী বাড়িতে আশান্তি শুরু হয়। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিলো।

 

এদিকে বিষয়টি মীমাংশার জন্য ইউপি মেম্বার বিপর্যয় লোকজন নিয়ে বৈঠকে বসে। পারিবারিক মন্দিরে ১ লাখ টাকা প্রনামী দিয়ে সামাধান হয়। এর ভিতর ৫০ হাজার টাকা মন্দিরে ফান্ডে জমা দিলেও বাকি ৫০ হাজার টাকা মেম্বরসহ শালিসগণ বলতে পারবেন কোথায় আছে।

 

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাধন বড় ভাই সুকন্ঠ মিস্ত্রী বলেন, আমার ভাই শচিন মিস্ত্রী এবং ছোট ভাই সাধনের স্ত্রী অর্চনা মিস্ত্রী এক অপরের সাথে গোপন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি আমরা বাড়ি থেকে স্বাভাবিক ভাবে কেউ মেনে নিতে পারিনি। শচীন পরে ঢাকায় চলে যায় এর কিছু দিন পরে অর্চনাও ঢাকা গিয়ে শচীনের বাসায় ওঠে। সেখানে গিয়ে আমার ছোট ভাই সাধনকে ডিভোর্স দেয়। এবং ডিভোর্সের একটা কপি ডাক যোগে রেজিস্ট্রি করে সাধনের নামে পাঠিয়ে দেয় এবং ছোট ভাই সাধন চিঠিটা হাতে পেয়ে আমার কাছে রাখতে দেয় তখন আমি ডিভোর্সের বিষয়টি জানতে পারি।

 

এর কিছু দিন পরে আমার মা অসুস্থ হযে মারা যায়। তখন শচীন খবর পেয়ে অর্চনাকে নিয়ে বাড়িতে আসে। তখন এলাকার লোকজন ছিছি করতে থাকে কেউ তাদের কে বাড়ীতে উঠতে দিবেনা। তখন বিপর্যয় মেম্বারের নেতৃত্বে, বৃন্দাবন মিস্ত্রী, রবিন্দ্রনাথ মিস্ত্রীসহ এলাকার কিছু সুবিধাবাধি লোক মিলে বিষয়টি ধামাচাপা দেয় ১ লাখ টাকার বিনিময়ে।

 

এ বিষয় মেম্বার বিপর্যয়ের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ভাসুরের সঙ্গে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক ছিলো কিনা আমি জানিনা। শচীন এবং অর্চনার বিষয় নিয়ে বৈঠকে বসেছিলাম। শচিনকে ১লাখ টাকা জরিমানা করেছিলাম পরে পঞ্চাশ হাজার টাকা মাপ করে দিয়েছি।

 

তবে শচিনের সাথে সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন অর্চনা মিস্ত্রী। তিনি বলেন, এটা আমার বড় ভাসুরের চক্রান্ত তাদের সাথে জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। এবং বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে উকিল নোটিশের বিষয় জানতে চাইলে সে বলে। এ বিষয় ওনার কাছে (ভাসুর শচিন) জিগ্যেস করলে জানতে পারবেন।

 

  1. এ বিষয় শচিনের সাথে কথা হলে সেও বিষটি সম্পর্ণ অস্বীকার করে বলেন, আমার মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে বাড়ীতে আসলে আমার নামে বদনাম দিয়ে মেম্বর বির্পযয়সহ বেশ কয়েকজন বলে ১লাখ টাকা দাবি করে টাকা না দিলে মায়ের সৎকার করতে দিবেনা। তাই আমি ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি। তবে ছোট ভাইয়ের বৌয়ের সাথে সর্ম্পকের বিষয়টি মিথ্যা। এটা আমার বড় ভাইয়ের সাজানো নাটক।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved ©2023 -ওল্ডহাম বাংলা নিউজ |

সম্পাদক ও প্রকাশক: