সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেবিদ্বারে কেঁদে কেঁদে ঈগল প্রতিকে ভোট চাইলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম নৌকায় ভোট দিয়েই মেঘনার সঠিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব… সেলিমা আহমাদ ঈগলে ভোট দিলে গোমতীর মাটি লুট জিবির নামে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে: আবুল কালাম আজাদ দেবিদ্বারে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা কুমিল্লায় পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ ব্রাজিলে ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ২২ সিলেটে মসজিদের পুকুর থেকে ইমামের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে সিএনজি স্টেশনের জেনারেটর বিস্ফোরণে দগ্ধ ৭ বার্মিংহাম সিটি কাউন্সিলের নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা মারা গেলেন লন্ডনের বাংলাদেশ হাইক‌মিশনের মিনিস্টার মুক্তি

যুক্তরাজ্যে অর্থনৈতিক সংকটে কনজারভেটিভ সরকার

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৮

অনলাইন ডেস্ক।।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে যুক্তরাজ্যে কয়েক মিলিয়ন মানুষ সংকটে পড়েছেন। তারা প্রত্যেকে প্রয়োজনীয় বিল পরিশোধ করার সাথে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন । খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে

খবরে বলা হয়, যদিও ১৫ ই মার্চ জেরেমি হান্টের বাজেটে গ্রাহকদের জন্য কিছু সুসংবাদ ছিল, চ্যান্সেলর ঘোষণা দিয়েছিলেন যে এনার্জি প্রাইসের উপর সরকার ভর্তুকি দিবে। কিন্তু তা কতটুকু বাস্তবায়ন হবে তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।

চ্যান্সেলর বলেন, “জ্বালানি বিল একটি পরিবারের জন্য যাতে বোঝা হয়ে না যায় সেই ব্যাপারে উদ্যোগ নিবে কনজারভেটিভ সরকার। কিন্তু সরকারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”

তিনি বলেন, ” জুলাই থেকে এনার্জি বিলের উপর ভর্তুকি দেয়া যায় কিনা ভেবে দেখছে সরকার। যদি এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন সম্ভব হয় তাহলে পরিবারগুলির উপর চাপ কিছু কমিয়ে দেবে, পাশাপাশি মুদ্রাস্ফীতিও কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে।”

সিটিজেন এডভাইস চিফ ডেম ক্লেয়ার মরিয়ার্টি বলেন, যদিও চ্যান্সেলরের কথা একটি ইতিবাচক ইশারা দেয় তথাপি বর্তমান সরকার কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পারে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

তিনি আরোও বলেন, অনেক লোক, বিশেষত স্বল্প আয়ের যারা, তাদের বিল পরিশোধের জন্য নয় বরং তাদের ঘরগুলি আরও নিরাপদ এবং উষ্ণতর করার জন্য চলমান সহায়তা প্রয়োজন।

হারগ্রিভস ল্যানসডাউন প্রধান সারা কোলস মন্তব্য করেন, “ ইতিমধ্যে ৪৮ শতাংশ লোক তাদের এনার্জি বিলগুলি প্রদান করতে অসুবিধা বোধ করছে। সরকার ভর্তুকি উঠিয়ে নিলে কিংবা জনগণকে এনার্জি বিলে সাপোর্ট না দিলে প্রতিমাসে অতিরিক্ত ৬৭ পাউন্ড পরিশোধ করাই তাদের জন্য হবে দুঃস্বপ্নের মতো।”

এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, সরকারী সহায়তা ব্যতীত গড় পরিবার জানুয়ারী থেকে এপ্রিলের মধ্যে বার্ষিক কয়েক হাজার পাউন্ড পর্যন্ত বিল প্রদান করতে হয়। শীতকালে ঘরকে উষ্ণ রাখতে বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের প্রয়োজন হয় প্রত্যেকটি পরিবারের।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি হারটি সুপারমার্কেটের তাকগুলির দিকে তাকালেই অনুধাবন করা যায়। অন্যদিকে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের মুদ্রানীতি কমিটি সুদের হারকে ৪ শতাংশে উন্নীত করেছে।

সবমিলিয়ে একধরনের অর্থনৈতিক দৈন্যতা ব্রিটেনের সার্বিক পরিস্থিতির ক্ষতি করে চলেছে। উল্লেখ্য যে ব্রেক্সিট পরিস্থিতি মোকাবেলা করে এই অর্থনৈতিক দৈন্যতা কনজারভেটিভ সরকারকে বিপদগ্রস্ত করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved ©2023 -ওল্ডহাম বাংলা নিউজ |

সম্পাদক ও প্রকাশক: