মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০৪:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেবিদ্বারে কেঁদে কেঁদে ঈগল প্রতিকে ভোট চাইলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম নৌকায় ভোট দিয়েই মেঘনার সঠিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব… সেলিমা আহমাদ ঈগলে ভোট দিলে গোমতীর মাটি লুট জিবির নামে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে: আবুল কালাম আজাদ দেবিদ্বারে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা কুমিল্লায় পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ ব্রাজিলে ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ২২ সিলেটে মসজিদের পুকুর থেকে ইমামের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে সিএনজি স্টেশনের জেনারেটর বিস্ফোরণে দগ্ধ ৭ বার্মিংহাম সিটি কাউন্সিলের নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা মারা গেলেন লন্ডনের বাংলাদেশ হাইক‌মিশনের মিনিস্টার মুক্তি

যুক্তরাজ্যে তিন বাবা-মায়ের ডিএনএ থেকে শিশুর জন্ম

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৩ মে, ২০২৩
  • ২২

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্যে তিন’জন ব্যক্তি’র ডি এন এ ব্যবহার করে একটি শিশু’র জন্ম দেয়া হয়েছে। শিশুটি’র অধিকাংশ ডি এন এ এসে’ছে তার বাবা ও মায়ে’র কাছ থেকে। মোট ডি এন এ’র প্রায় ০.১ শতাংশ এসে’ছে তৃতীয় ব্যক্তি, একজন দাতা নারী’র কাছ থেকে। ভয়ানক মাইটোকন্ড্রিয়াল রোগ নিয়ে শিশু’র জন্ম প্রতিরোধ করা’র জন্য এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। এরকম পাঁচটি’র কম শিশু জন্ম নিয়েছে। তবে এর বেশি কিছু আর জানানো হয়নি।

মাইটোকন্ড্রিয়াল রোগ নিরাময়ে’র যোগ্য নয়। মাইটোকন্ড্রিয়াল রোগ বংশগত রোগ। জন্মে’র কয়েক ঘণ্টা পর’পরই অথবা জন্মের কয়েক’দিন পর এ রোগ শিশুর প্রাণ কেড়ে নিতে পারে। বেশ কিছু পরিবা’রে এ রোগে একাধিক শিশু’র মৃত্যু হয়েছে। এসব পরিবা’রে সুস্থ শিশুর জন্ম দেয়ার একমাত্র উপায় হিসেবে দেখা হ’চ্ছে এ পদ্ধতি’কে।মাইটোকন্ড্রিয়া হলো শরীরের প্রায় প্রত্যেক কোষে’র অভ্যন্তরে অবস্থিত সাইটোপ্লাজমীয় অতি সূক্ষ্ম পর্দা দ্বারা আবদ্ধ অঙ্গাণু। মাইটোকন্ড্রিয়া খাদ্য থেকে মানবদেহে’র বিভিন্ন কার্যক্রমে’র জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন করে।

ত্রুটিপূর্ণ মাইটোকন্ড্রিয়া মানবদেহে খাদ্যকে শক্তিতে পরিণত করতে পারে না। এছাড়া এর কারণে মস্তিষ্কের ও ক্ষতি করে; হার্ট ফেইলিউর হয় এবং অন্ধত্বও দেখা দেয়। শিশু ত্রুটিপূর্ণ মাইটোকন্ড্রিয়া পায় শুধু মায়ের কাছ থেকে। এ কারণে মাইটোকন্ড্রিয়াল ডোনেশন চিকিৎসা হচ্ছে এক ধরনের আইভিএফ যাতে কোনো সুস্থ দাতার ডিম্বাণুর মাইটোকন্ড্রিয়া ব্যবহার করা হয়।

মাইটোকন্ড্রিয়াল ডোনেশনে’র দুটি পদ্ধতি রয়েছে। একটি পদ্ধতি’তে দান করা হয় পিতার শুক্রাণু মায়ের ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করার পর; আর দ্বিতীয় পদ্ধতি’তে দান করা হয় নিষিক্ত করার আগে। এ পদ্ধতি’তে ডিএনএ পরিবর্তন স্থায়ী, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মে স্থায়ী হবে। এ পদ্ধতি প্রয়োগে’র ফলে দুরারোগ্য কিছু বংশানু’ক্রমিক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। মায়ের কাছ থেকে সন্তানে’র শরীরে জটিল জিনগত রোগের বিস্তার ঠেকাতেই মূলত এ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি’র উদ্ভাবন করেছেন ব্রিটিশ চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা।

২০১৬ সালে মেক্সিকোতে এ কৌশল ব্যবহার করে প্রথম তিন বাবা-মায়ের ডিএনএ সম্বলিত শিশুর জন্ম দিয়েছিলেন চিকিৎসক’রা। যুক্তরাষ্ট্রে এটি নিষিদ্ধ থাকায় মেক্সিকো গিয়ে এটি করেছিলেন মার্কিন চিকিৎসক’রা।
সূত্র বিবিসি

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved ©2023 -ওল্ডহাম বাংলা নিউজ |

সম্পাদক ও প্রকাশক: