মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেবিদ্বারে কেঁদে কেঁদে ঈগল প্রতিকে ভোট চাইলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম নৌকায় ভোট দিয়েই মেঘনার সঠিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব… সেলিমা আহমাদ ঈগলে ভোট দিলে গোমতীর মাটি লুট জিবির নামে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে: আবুল কালাম আজাদ দেবিদ্বারে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা কুমিল্লায় পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ ব্রাজিলে ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ২২ সিলেটে মসজিদের পুকুর থেকে ইমামের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে সিএনজি স্টেশনের জেনারেটর বিস্ফোরণে দগ্ধ ৭ বার্মিংহাম সিটি কাউন্সিলের নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা মারা গেলেন লন্ডনের বাংলাদেশ হাইক‌মিশনের মিনিস্টার মুক্তি

৪০ ঘণ্টার মাথায় সিলেটে’র ‘নিহত নাহিদ’ জীবিত অবস্থা’য় গ্রেপ্তার

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৭

মৃত্যুর নাটক সাজিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন নাহিদ ইসলাম ওরফে তাজুল ইসলাম নামে এক কেয়ারটেকার। তবে ৪০ ঘণ্টার মাথায় তাকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ধারদেনা থেকে বাঁচতে নিজের বিছানা ও থাকার কক্ষে রক্তসদৃশ তরল পদার্থ ছিটিয়ে হঠাৎ উধাও হয়েছিলেন সিলেটের বিয়ানীবাজারের মাথিরাউরা ইউনিয়নের একটি বাড়ির কেয়ারটেকার নাহিদ ইসলাম। তাকে আটকের পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, মৃত্যুর নাটক সাজিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন। তিনি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার বড়ভিটা পূর্বপাড়া গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে।

পুলিশ সুপার বলেন, গত শুক্রবার ভোরের দিকে বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন মোবাইল ফোনে জানান, মাথিউরা ইউনিয়নের মাথিউরা পূর্বপার গ্রামের আব্দুল হেকিমের বাড়ির কেয়ারটেকার নাহিদ ইসলাম খুন হয়েছেন। তার শোয়ার ঘরভর্তি রক্ত। খবর পেয়ে বিয়ানীবাজার থানার একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে বিছানা, ঘরের মেঝে এবং বারান্দা রক্তে সয়লাব থাকলেও মরদেহ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড মনে হওয়ায় রহস্য উদঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করে। শনিবার খুন হওয়ার নাটক সাজানো নাহিদকে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ।

তিনি বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেপ্তার নাহিদকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তিনি প্রায় ১৪ বছর ধরে বিয়ানীবাজারের ওই এলাকায় আছেন। কিন্তু তার প্রকৃত পরিচয় কেউ জানতেন না। নাহিদের বাড়ি নীলফামারী। সেখানে অপরাধে জড়িয়ে পড়ায় বিয়ানীবাজারে আত্মগোপনে আছেন। নাহিদ অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িয়ে বড় অঙ্কের টাকা ঋণ হয়ে যায়। এরপর তিনি কৌশলে জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজের নাম পরিবর্তন করে স্থায়ী ঠিকানা গোপন রেখে বিয়ানীবাজারের ওই বাড়িতে কেয়ারটেকার হিসেবে থাকতে শুরু করেন। ওই ঠিকানা স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলেন। প্রকৃতপক্ষে তার নাম তাজুল ইসলাম। তিনি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার বড়ভিটা পূর্বপাড়া গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, নিখোঁজ হওয়ার পর নাহিদের ঘর তল্লাশি করে একটি ডায়রি পেয়েছে পুলিশ। এতে দেনা-পাওনার হিসাব লেখা ছিল। তার ঘরে একটি বালতি ও মগে রং গুলিয়ে রাখার আলামত পাওয়া যায়। গ্রেপ্তার নাহিদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved ©2023 -ওল্ডহাম বাংলা নিউজ |

সম্পাদক ও প্রকাশক: